ঢাকা , শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ , ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর নৌরুটে অতিরিক্ত ভাড়া রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান


আপডেট সময় : ২০২৬-০৩-১৪ ০১:৪৭:২৬
কুড়িগ্রামে চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর নৌরুটে অতিরিক্ত ভাড়া রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান কুড়িগ্রামে চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর নৌরুটে অতিরিক্ত ভাড়া রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান
 
 
আনোয়ার সাঈদ তিতু, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:-
 
 
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী–রৌমারী ও চিলমারী–রাজিবপুর নৌরুটে ঈদ এলেই যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তবে এবার ঈদকে ঘিরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নৌপুলিশ ও থানা পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
 
সূত্র জানায়, চিলমারী–রৌমারী নৌরুটে যাত্রীপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা এবং চিলমারী–রাজিবপুর রুটে ১৩০ টাকা। কিন্তু প্রতি ঈদেই এই ভাড়া দ্বিগুণ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি যাত্রী হয়রানির ঘটনাও ঘটে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল নৌকায় ওঠানো-নামানোর ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
স্থানীয়রা জানান, চিলমারী থেকে রৌমারী ও রাজিবপুর রুটে যাতায়াতকারী হাজারো মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। ঈদের সময় প্রশাসন কঠোর অবস্থান নিলে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন তারা।
 
যাত্রী এরশাদুল বলেন, “এখন আমরা ঠিক ভাড়াতেই যাচ্ছি। কিন্তু আগের বছরগুলোতে দেখেছি ঈদ এলেই ভাড়া দ্বিগুণ নেওয়া হয়। এবার প্রশাসন যদি বিষয়টি কঠোরভাবে নজরদারি করে, তাহলে আমাদের আর ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।”
 
চিলমারী ঘাটের ইজারাদার আনোয়ার হোসেন বলেন, “ঘাট সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কেউ যেন নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায় না করেন।”
 
চিলমারী নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) গোলাম মওলা শাহ জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের বিভিন্ন রুটে নৌপুলিশের দুটি মোবাইল টিম নিয়মিত টহল দিচ্ছে। পাশাপাশি অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে, যাতে নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করা হয়।
 
তিনি বলেন, “নৌচালক ও ঘাট ইজারাদারদের সঙ্গে মতবিনিময় চলছে। ঈদকে কেন্দ্র করে কেউ যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করেন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ যাত্রীদের টিকিট বা রশিদ ছাড়া টাকা লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।”
 
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, “নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। ঘাট ইজারাদারদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কথা বলা হয়েছে। বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করা হবে।”

নিউজটি আপডেট করেছেন : [email protected]

কমেন্ট বক্স

প্রতিবেদকের তথ্য

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ